এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম স্ত্রীর বাবার বাড়ি থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে প্রথম স্ত্রী মালেকাকে আবারও বিয়ে করার কথা ছিল ফেরদৌসের। কিন্তু সেই টাকা নেওয়ার পর ফেরদৌস মালেকাকে আবারও বিয়ে করলেও দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেননি। এ নিয়ে আবার মালেকার সঙ্গে ফেরদৌসের প্রতিনিয়ত ঝগড়া হয়। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে মালেকা ও ফেরদৌসের মধ্যে ঝগড়ার সময় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মালেকার পেটে লাথি ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে মালেকা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

মালেকার বাবা জব্বার আলীর দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর পরামর্শে ফেরদৌস তাঁর মেয়েকে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ফেরদৌসের শাস্তি চান জব্বার আলী।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফেরদৌস পলাতক। তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ থাকায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিহত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত নারীর মা জীবননেছা বেগম বাদী হয়ে ফেরদৌসকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন