ডাকসু নেতা জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে চাকসুর বিক্ষোভ

ডাকসুর দুই নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরেছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগে ডাকসু নেতা যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। এ কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর হামলারও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ কর্মসূচি হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি গোল চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী, আলাওল হল, নিরাপত্তা দপ্তর, ঘুরে পুনরায় গোল চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে চাকসুর নেতারা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এরপর তাঁরা গোল চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

সমাবেশে চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা বলেন, ‘মুসাদ্দিককে আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখেছি, সেই মুসাদ্দিক ও এ বি জুবায়েরের ওপর ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা থানার ভেতরে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। আমরা আর কোনো সন্ত্রাস মেনে নেব না। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও দখলদারি চলবে না।’

চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘অবরুদ্ধ এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে গেলে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালানো হয়। এমনকি সাংবাদিকদের ওপরও হামলা করা হয়েছে। এর আগেও তারা কুয়েটে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত এনে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি করছে। চট্টগ্রাম সিটি কলেজের মিছিলেও তারা হামলা চালিয়েছে, এমনকি পায়ের রগ পর্যন্ত কেটে দিয়েছে। আপনারা মজলুম ছিলেন, জালিম হবেন না, জালিমের পরিণতি আপনারা দেখেছেন।’

চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম সন্ত্রাসের রাজনীতি শেষ হবে। কিন্তু তারা আবারও সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করতে চায়। এর কারণ তাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। এদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আন্তর্জাতিক–বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন–বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি–বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।