প্রধান অতিথি বক্তৃতায় আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, সিলেটের গণসমাবেশের পর বিজয়ের মাসে ঢাকায় সমাবেশ হবে। সেই সমাবেশ থেকে সরকার পতনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বর মাস হবে সরকারের বিদায় ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাসে জনগণের বিজয় হবে।

আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। শাসক দলীয় ক্যাডারদের হামলা, পরিকল্পিতভাবে যান চলাচল বন্ধ করা, পুলিশি গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঘটনা যত বাড়ছে, বিএনপির কর্মসূচিতে ততই জনস্রোত দেখা যাচ্ছে। সিলেটের গণসমাবেশেও জনজোয়ারের সৃষ্টি হবে।

গণসংযোগকালে বিএনপির নেতারা প্রচারপত্র বিতরণ করেন। কামালবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলজার আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী।

এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার লাগামহীন লুটপাট করে দেশে দুর্ভিক্ষ নিয়ে এসেছে। মানুষ এখন দুবেলা পেট ভরে খেতে পারছে না। দেশে খাদ্যসংকট, রিজার্ভসংকট দেখা দিয়েছে। জনগণ এ দশা থেকে মুক্তি চায়। তাই জনগণের ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে বিএনপি।

পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির নেতা হাসান আহমদ পাটোয়ারী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমদ, জেলা বিএনপির ফালাকুজ্জামান চৌধুরী, জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব তাজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির নেতা আবু তাহের, আক্তার হোসেন, আবদুল লতিফ খান, আজিজুল হোসেন, বজলুর রহমান, মাহবুব আলম, মনিরুল ইসলাম, মুহিবুর রহমান, এনামুল হক প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এদিকে সিলেট সদর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও শ্রমিক দলের যৌথ উদ্যোগে আজ বিকেলে উপজেলার টুকেরবাজার তেমুখী এলাকায় প্রচার মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আমজাদ হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আলম, আবদুস সালাম ও এনাম হোসেন, কান্দিগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।