দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাচ্চু মিয়া ও একই এলাকার আমির হামজা। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৩ মার্চ সকালে মনোহরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে ওই শিশুকে একা পেয়ে বাচ্চু মিয়া ও আমির হামজা ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর ওই শিশু বিষয়টি তাঁর বাবাকে জানাবে বললে বাচ্চু ও আমির ক্ষুব্ধ হয়ে দা দিয়ে কুপিয়ে ওই শিশুকে হত্যা করে। এরপর ওই শিশুর লাশ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন।

লাশ উদ্ধারের পর ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে আমির ও বাচ্চুর বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে। এরপর আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ সকালে আদালত এই রায় দেন।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী বলেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর হলেও মেয়ের খুনিদের বিচার পেয়েছি। এখন রায় কার্যকর হলে শান্তি পাব।’