প্রতিদিন এই সড়কে অন্তত তিন হাজার যানবাহন চলাচল করে জানিয়ে ভূঁইয়া রেদোয়ানুর রহমান বলেন, সকাল ১০টার দিকে ট্রাকটি অপসারণ করে সেতু মেরামতের কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এটি মেরামতে আরও ১০-১২ ঘণ্টা লাগতে পারে।

এদিকে সেতুর পাটাতন ভেঙে পড়ায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন বিকল্প পথে ডামুড্যা, কার্তিকপুর সড়ক হয়ে চলাচল করতে নির্দেশনা দিয়েছে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

ভেদরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেতুটি মেরামতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে বিকল্প পথে চলাচলের অনুরোধ করা হয়েছে।

default-image

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, বেনাপোলসহ দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০০০ সালে শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কটি চালু করা হয়। সড়কের শরীয়তপুরের ৩৫ কিলোমিটার অংশে ছোট–বড় পাঁচটি বেইলি সেতু রয়েছে। প্রতিটি সেতুই ঝুঁকিপূর্ণ। মাঝেমধ্যেই সেতু ভেঙে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি পাঁচটি আরসিসি সেতু নির্মাণের কাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

চট্টগ্রাম থেকে একটি বাসে পরিবার নিয়ে খুলনা যাচ্ছিলেন কায়সার আহম্মেদ। পথে সকাল ১০টার দিকে মহিষার এলাকায় সড়কে আটকা পড়েন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘কখন সেতু মেরামত হবে বলতে পারছেন না কেউ। খুব ভোগান্তিতে পড়লাম।’

খুলনা থেকে মালামাল নিয়ে নোয়াখালী যাচ্ছিলেন পণ্যবাহী ট্রাকের চালক ইউনুস মোল্লা। তিনি বলেন, ‘এখানে এসে দেখি সেতু ভাঙা। বড় ট্রাক নিয়ে বিকল্প সড়কেও যেতে পারছি না। নোয়াখালী থেকে বারবার কল করছে। দ্রুত পৌঁছাতে না পারলে বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন