আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কাইমুল হক মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামিরা হলেন মনোহরগঞ্জের সাইকচাইল গ্রামের মো. সাফায়েত হোসেন (৪৫), জাওড়া গ্রামের আতাউর রহমান (৩৮), একই গ্রামের বাবু (৩২), বড় কাঁচি গ্রামের রুবেল হোসেন (৩৮), সাইকচাইল গ্রামের তাজুল ইসলাম (৪২), সাজু আহম্মদ(৩০), বড় কাঁচি গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩৩), জাওড়া গ্রামের হুমায়ুন কবির (৪২), সাইকচাইল গ্রামের মাজহারুল ইসলাম (৪০), বিপুলাসার গ্রামের মো. রাকিব (২৮), জাওড়া গ্রামের মানিক মিয়া (৩৫), বড় কাঁচি গ্রামের ইমন হোসেন (৩৮), জাওড়া গ্রামের জহিরুল ইসলাম (৩৫), সাইকচাইল গ্রামের বিজয় (৩২), কেয়ারি গ্রামের ওমর ফারুক (৩৬), রুদ্রপুর গ্রামের মাসুদ পারভেজ (৩৭) ও দিশাবন্দ গ্রামের সেলিম(৩৭)।

এ ছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার আসামিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার বাজারের মক্কা ক্যাফে রেস্টুরেন্টের সামনে মো. সাফায়েত হোসেনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন দা, ছেনি, চায়নিজ কুড়াল, হকিস্টিক, লোহার রড, জিআই পাইপ নিয়ে এসে বিএনপির নেতাদের গালিগালাজ শুরু করেন।

এর প্রতিবাদে বিপুলাসার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. শরীফ হোসেন গালিগালাজ বন্ধ করার কথা বলেন। এতে আসামিরা ক্ষিপ্ত হন। এ সময় বরকতউল্লা বুলু আসামিদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন। তখন ১ নম্বর আসামি কুড়াল দিয়ে তাঁকে মাথায় কোপ মারতে গেলে তাঁর কপালে কোপ পড়ে। পরে আবার হকিস্টিক দিয়ে তাঁরা তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথায় ১৮টি সেলাই দেওয়া হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কাইমুল হক বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিরা হামলা করে জখম করেন। আদালত গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন, চিকিত্সা প্রতিবেদন দেখে মামলাটি আমলে নেন। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত করার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন