এ সময়ে বরিশালে প্রথমা প্রকাশনের মেলার আয়োজনকে সাহসী পদক্ষেপ উল্লেখ করে প্রধান অতিথি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকে যাওয়ার যে প্রবণতা, তাতে অনেকে ছাপা বইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন। কিন্তু এ সংশয় অমূলক। কারণ, নতুন প্রজন্ম এখনো প্রচুর ছাপা বই পড়ছে, এটা অবশ্যই আশার খবর। ছাপা বইয়ে যেমন আস্থা রাখা যায়, ডিজিটাল কনটেন্টে তা রাখা যায় না। তাই বই আছে এবং থাকবে।

প্রথমা দেশে পুস্তকশিল্পে আধুনিকতা, গুণ ও মানে অনন্য এক ধারা তৈরি করেছে বলে মনে করেন মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, নান্দিনক প্রচ্ছদ, রঙের বৈচিত্র্য, মজবুত বাঁধাই, উন্নত মানের কাগজ ব্যবহার করায় মানের দিক থেকে প্রথমার বই যেমন অনন্য, তেমনি বৈচিত্র্যময় বিষয়বস্তু নির্বাচন ও লেখার মানে। এসব নান্দনিকতার কারণে প্রথমার বইগুলো দেশে নতুন নতুন পাঠক তৈরি করছে।

প্রথমা প্রকাশনের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন বলেন, পাঠকদের দোরগোড়ায় নানা আঙ্গিকের বই পৌঁছে দিতে তাঁরা অঙ্গীকারবদ্ধ। এ জন্য দেশের বড় শহরগুলোতে প্রতিবছর একাধিক মেলার আয়োজন করে পাঠকদের কাছে সহজে বই পৌঁছে দিচ্ছে প্রথমা। এমন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এবার বরিশাল নগরে পুনরায় এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের ফলে পাঠকেরা তাঁদের পছন্দ ও চাহিদামতো বইগুলো তাঁদের শহর থেকেই সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রথমা প্রকাশনের নির্বাহী (বিক্রয়) সনাতন বড়াল জানান, এ মেলায় প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত নানা আঙ্গিকের বই ছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বই পাওয়া যাচ্ছে। এসব বই বিশেষ মূল্যছাড়ে মেলায় বিক্রি হচ্ছে। মেলার স্টলে বিক্রির জন্য পাঁচ হাজারের বেশি বই রয়েছে। বেলা ১১টা থেকে প্রতিদিন মেলা শুরু হবে এবং তা চলবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।