মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মানিক চন্দ্র দাশ চবির রেজিস্ট্রার অফিসের সেকশন অফিসার পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে তিন প্রার্থীর থেকে বিভিন্ন সময় ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পরবর্তীতে চাকরি দিতে না পেরে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দিতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি৷ এ সংক্রান্ত কয়েকটি ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গতকাল দুপুরে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসে৷

এর আগে গতকাল বিকেলে কর্মচারী নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে চার সদস্যর মধ্যে আমানত হলের প্রাধ্যক্ষ নির্মল কুমার সাহাকে আহবায়ক ও সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার রশীদুল হায়দার জাবেদকে সদস্য ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফজলুল করিমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে অর্থ লেনদেন নিয়ে একটি ফোনালাপ ফাঁস হয় গতকাল। ফোনালাপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিম্নমান সহকারী মানিক চন্দ্র দাশ ও একজন নিয়োগপ্রার্থীর। এতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩ জনের কাছ থেকে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। চাকরিপ্রার্থীরা হলেন নিম্নমান সহকারী পদে মাকসুদুল সালেহীন এবং পিয়ন পদে রাকিব ফরাজী ও সোহেল খান।

চবিতে নিয়োগ–বাণিজ্য নিয়ে ফোনালাপ ফাঁস এবারই প্রথম নয়। ছয় মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে আর্থিক লেনদেন নিয়ে পাঁচটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন