গোলাম হাসান সুমন সরকার অভিযোগ করেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, জাতীয় ও স্থানীয় অনলাইন, পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার করা হয়েছে, তা একটি চক্রান্তের অংশ। এসব মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বানোয়াট, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল সব সময় তৎপর আছে। আমার, এলাকাবাসীর, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ তিনি এর প্রতিবাদ করেন।

গোলাম হাসান সুমন সরকারের বিরুদ্ধে অন্তত সাতজন জনপ্রতিনিধি অভিযোগ করেন, তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনের আগের রাত ১৬ অক্টোবর ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকার বান্ডিল তুলে দেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাবে—এই শঙ্কার কথা বলে টাকাগুলো ভোটের আগে খরচ করতে নিষেধ করেন। নির্বাচনে তিনি জিতে যান। তখন ভোটাররা টাকাগুলো খরচ করতে গিয়ে দেখেন, বান্ডিলে করে প্রার্থী যে টাকা দিয়েছিলেন, সেগুলো মূলত জাল টাকা। বিষয়টি প্রার্থীকে জানালে তিনি উল্টো জাল টাকা সংরক্ষণ করায় তাঁদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।