চন্দ্রা এলাকায় লিলিফা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বাসের চালক সুমন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকায় যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল, মির্জাপুর ও কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রায় পুলিশের তল্লাশিতে পড়তে হয়েছে তাঁকে। পুলিশ তাঁর বাসে থাকা যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে জানান তিনি।

বিনিময় পরিবহনের যাত্রী মো. কাওসার মিয়া বলেন, ‘টাঙ্গাইল থেকে গাজীপুর আসতে তিনটি পয়েন্টে পুলিশ আমাদের বাসে তল্লাশি করে। গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু কী কারণে এই জিজ্ঞাসাবাদ, সেটি আমাদের বলা হয়নি।’

পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড যেন না ঘটে, সে জন্য বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। চেকপোস্টের মাধ্যমে কাউকে সন্দেহ হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তবে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলম বলেন, ‘ডিসেম্বরের শুরু থেকেই আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় মহাসড়কে গাড়িতে তল্লাশি চলছে। প্রতি থানার আওতায় দুটি করে চেকপোস্টে এ অভিযান চলছে।’