শফিউলের বাবা মো. জাকারিয়া ভূঁইয়ার দাবি, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি ছেলেকে নিয়ে পাশের থানার হাট বাজারে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে ছেলে তাঁর পেছনে পেছনে হাঁটছিলেন। একপর্যায়ে তিনি পেছনে ফিরে দেখেন, ছেলে নেই। তখন তিনি ছেলেকে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বাড়িতে ফিরে যান। শনিবার সকাল নয়টার দিকে তিনি ছেলে নিখোঁজ হওয়ার কথা উল্লেখ করে চাটখিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বেলা একটার দিকে থানা থেকে ফেরার পথে পরানপুর গ্রামের বাদশার বাড়ির পাশে খালে কচুরিপানার ভেতর ছেলের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে লোকজনের সহায়তায় লাশটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু জাফর প্রথম আলোকে বলেন, শফিউল মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। লাশের বাহ্যিক অংশে কোনো ধরনের জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে তাঁরা নিশ্চিত নন। এ কারণে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে বিকেল পাঁচটার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আগামীকাল রোববার নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।