স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, পদ্মা নদীতে সাধারণত পানি বাড়ার সময় বড় বড় মাছ ধরা পড়ে। বর্তমানে পানি কমতে থাকলেও তিন ধরে বৃষ্টির কারণে নদীর পানি ঘোলাটে ভাব হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়ছে। তিন দিনে অন্তত ছয়টি বড় পাঙাশ, বাগাড়জাতীয় মাছ ধরা পড়েছে। পাবনার ঢালারচর এলাকার জেলে সোনাই হালদার ও তাঁর দল পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে বের হন। জাল ফেলতে ফেলতে গোয়ালন্দের বাহির চর দৌলতদিয়া এলাকায় জাল ফেলেন। আজ বেলা ১১টার দিকে জাল নৌকায় তোলার পর দেখেন বড় একটি পাঙাশ ধরা পড়েছে। মাছটি বাজারে না নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ জেলে সোনাই হালদারের কাছ থেকে পাঙাশটি কিনে নেন।

মো. শাহজাহান শেখ বলেন, পাবনার ঢালার চরের জেলে সোনাই হালদারের জালে বড় একটি পাঙাশ ধরা পড়ছে বলে সকালে খবর পান তিনি। পরে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। মাছটি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আনা হলে ওই জেলের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় কিনে নেন। এরপর ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে সেটি ৩৬ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি করে দেন। মাছটি দুপুরেই ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি।

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ প্রথম আলোকে বলেন, তিন দিন ধরে বৃষ্টির কারণে পানি ঘোলাটে রং ধারণ করায় বড় বড় মাছ ধরা পড়ছে। এ মৌসুমে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে রুই, কাতলা, বোয়াল, পাঙাশ, বাগাড়ের মতো বিভিন্ন প্রজাতির দেশি সুস্বাদু মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন