অবরোধকারীরা জানান, ট্রাক্টরে অবৈধভাবে বালু বহন করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু তা না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ট্রাক্টর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা এ ঘটনার বিচার দাবি করে স্লোগান দেন। এ সময় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ প্রধান, গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র মো. মুকিতুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ হোসেন, গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন।

default-image

অবরোধকারীরা আরও জানান, করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে আজ দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চকরহিমাপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আব্দুল্যাহ বিন শফিক এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় দুটি ট্রাক্টর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় একটি ট্রাকে বালু ছিল, আরেকটি ছিল খালি।

ট্রাক্টরমালিক রাহাত হোসেন বলেন, ট্রাক্টরে অবৈধভাবে বালু বহন করলে জেল-জরিমানা করা যেত, তা না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অন্যায়ভাবে ট্রাক্টর পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি ইজার উদ্দিন বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আব্দুল্যাহ বিন শফিকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

default-image

তবে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ট্রাক্টর পুড়িয়ে দেওয়ার কথা না। এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জের ইউএনও তাঁকে জানিয়েছেন, সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থল থেকে ফিরে আসার দুই ঘণ্টা পর ট্রাক্টর দুটিতে আগুন লেগেছে। বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য এটা করতে পারে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান না হয়। তারপরও ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন