সারা দেশে চলমান বিএনপির ধারাবাহিক বিভাগীয় গণসমাবেশের সফলতার কথা উল্লেখ করে শিমুল বিশ্বাস বলেন, শত বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে, হামলা-মামলা ও নির্যাতন সহ্য করে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিকল্প পন্থায় তিন–চার দিন আগে থেকে যেসব মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, খেয়ে না খেয়ে সমাবেশ সফল করেছেন; তাঁদের বেশির ভাগ শ্রমিক।

প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী বলেন, যুবলীগের সমাবেশের মাধ্যমে সরকার তার শক্তি প্রমাণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছাড়া দলীয় নেতা-কর্মী পাওয়া যায়নি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য রকিবুল ইসলাম বলেন, সরকার দেশের কলকারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের বেকার করেছে। ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শ্রমিকদের কাছে বন্ধ কলকারখানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে শ্রমিক দলের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় বক্তৃতা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা, সদস্যসচিব শফিকুল আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্যসচিব মনিরুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান।

মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন, মাগুরা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মোল্লা, কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সরদার আতিয়ার রহমান, খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি আবু দাউদ প্রমুখ।