সভাপতি ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পশ্চিম আবদালপুর গ্রামে। নাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায়।

আংশিক কমিটিতে সহসভাপতি পদে তন্ময় সাহা, আল মামুন, ফাহিমুর রহমান, মোদাচ্ছির খালেক, মুন্সী কামরুল হাসান, আরিফুল ইসলাম, সুজন কুমার দে, রকিবুল ইসলাম, নাইমুর রহমান, বনি আমিন, মৃদুল হাসান, মামুনুর রশিদ, সানজিদা চৌধুরী ও এহসানুল হকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন মুজাহিদুল ইসলাম, সরোয়ার জাহান, মাসুদ রানা, হোসাইন মজুমদার। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জাকির হোসেন, মাইনুল ইসলাম, সোহাদ শেখ ও হামিদুর রহমানের নাম রয়েছে।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে আদর্শিক ও পরিচ্ছন্ন সংগঠন করাই হবে মূল লক্ষ্য।’

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রবিউলকে সভাপতি ও রাকিবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা হয়। এর কয়েক মাস পরই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কমিটি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ রকম একটি অডিও প্রকাশ পায়। এর পর থেকে ক্যাম্পাসে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেন। বিভিন্ন সময় রবিউল ও রাকিবুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। এমনকি মারধরও করা হয়। তাঁদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগানো হয়েছিল।

দীর্ঘ দুই বছর পাঁচ মাস পর দুই পদের সেই কমিটি গত বছরের ৮ ডিসেম্বর বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সেই সঙ্গে নতুন কমিটিতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন