সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের মাঝবরাবর ও দক্ষিণ দিকে বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরের ভাঙা অংশ দিয়ে অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এমনকি প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও প্রবেশ করেন। প্রাচীরের ভাঙা অংশ মূল ভবনের কিছুটা সামনে হওয়ায় এবং যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে দূরত্ব কম হওয়ায় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রধান ফটকটি দীর্ঘ ছয় বছর ধরে তালাবদ্ধ। 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরকারের এলজিএসপি-২–এর অর্থায়নে ‘টেগরা-তকিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প’–এর মাধ্যমে ১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৪ মিটার দীর্ঘ একটি ফটক নির্মাণ করা হয়। সে সময় বিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যে থাকা একটি মাটির ঘরের সামনে ওই প্রধান ফটক এবং ফটকের দুই পাশে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

টেগরা গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৬ সালে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করার সময় নির্মাণসামগ্রী নিয়ে আসা একটি ট্রাক বিদ্যালয়ের মাঠে ঢুকতে সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দেয়। এতে সীমানাপ্রাচীরের প্রায় ১০ হাত অংশ ভেঙে যায়। সহজে ও দ্রুত মূল ভবনে যাওয়ার সুযোগের সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা ওই ভাঙা অংশ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে। এ কারণে কয়েক দিন পর মাঠের বড় গেটে তালা দেওয়া হয়। আর সেই থেকে ভাঙা অংশ দিয়েই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাওয়া-আসা চলছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ধরেননি।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল ওয়াকিল বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য শিক্ষা অফিস থেকে শুধু চাহিদা পাঠানো হয়। প্রাচীরের নকশা ও প্রাক্কলন ব্যয়ের তথ্য উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসের কিছুই করার থাকে না।