পুরো ইজতেমা মাঠের লাশের জিম্মাদার মো. রফিক। তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, গাইবান্ধার আবদুল হামিদ এসেছিলেন একটি তাবলিগ জামাতের সঙ্গে। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই নিজ খিত্তায় তিনি মারা যান। গোসল করানো শেষে বিকেলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। একইভাবে আবদুল হান্নান ও বোরহান উদ্দিন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাঁরা দুজনই মাঠের ভেতর নির্দিষ্ট খিত্তায় অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক ডাকা বা হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়। পরে গোসল করানো শেষে সবার জানাজা হয় ইজতেমা মাঠে।
এর আগে শুক্রবার ভোররাতে বরগুনার রফিকুল ইসলাম নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে এই দফার ইজতেমায় এখন পর্যন্ত চারজন মারা গেলেন।

তাবলিগ জামাতের বিবদমান বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলাদাভাবে। প্রথম পক্ষ বা মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধী হিসেবে পরিচিত মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা পালন করেন ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি। গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পক্ষ বা মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের ইজতেমা। তাঁদের ইজতেমা চলবে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত।