গ্রামটি ঘুরে দেখা যায়, গ্রামের বেশির ভাগ বাড়িতে বাঁশের কাজ চলছে। বাড়ির বারান্দা থেকে উঠান—কোনো জায়গা ফাঁকা নেই। পরিবারের সবাই মিলে এ কাজ করেন। এর মধ্যে কেউ বাঁশ কাটছেন, কেউ বাঁশ চেঁচেছুলে পাতলা করছেন। কেউ আবার বাঁশ বুনে ডালা-কুলা বানাচ্ছেন।

মীরগঞ্জ পাটনিপাড়া এলাকার কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মীরগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজার থেকে তাঁরা বাঁশ সংগ্রহ করেন। এক বছর আগেও এসব বাজারে একটি বাঁশের দাম ছিল ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে বর্তমান বাজারে প্রতিটি বাঁশ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আগের চেয়ে তাঁদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) গাইবান্ধা শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রবীন্দ্রনাথ রায় প্রথম আলোকে বলেন, সুন্দরগঞ্জের মীরগঞ্জ পাটনিপাড়ার বাঁশশিল্পের স্থানীয়ভাবে সুনাম আছে। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা চাইলে তাঁদের ঋণ দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন