জয়পাড়া কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা গৃহিনী রেজিয়া বেগম প্রথম আলোকে বলেন, গৃহস্থালির কাজ শেষ করে ভোট দিতে এসেছেন। এবার নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। ইচ্ছেমতো নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছেন। তবে ইভিএমে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি বুঝতে সমস্যা হওয়ায় একটু দেরি হয়েছে।

বেলা ১১টার দিকে জয়পাড়া কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন মেয়র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুল (হেলমেট প্রতীক)। তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে। ৯টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। সব কটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। জনগণ তাঁর পক্ষেই রায় দেবেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দোহার উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আমজাদ হোসেন বলেন, তিনি পাঁচটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। পাঁচটি কেন্দ্রেই তাঁর পোলিং এজেন্ট ছিলেন। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তিনি জয়ী হবেন।

সকালে কাটাখালী মিসির খান উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নুরুল ইসলাম (ইস্ত্রি প্রতীক)। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ৯টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। সব কটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। তবে ইভিএম বুঝতে সমস্যা হওয়ায় ভোটাররা ভোট দিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ হলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

default-image

ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভোট দিতে এসেছি। সাড়ে ১০টার দিকে ভোট দিয়ে বের হয়েছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছি। তবে ইভিএমের পদ্ধতি বুঝতে একটু সমস্যা হয়েছে।’

জয়পাড়া কলেজ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল থেকেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। সেই তুলনায় পুরুষদের উপস্থিতি কম। এলাকার পুরুষ ভোটারদের অনেকে দেশের বাইরে থাকেন যে কারণে উপস্থিতি কম হতে পারে। সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

ঢাকা জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সব কটি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছেন।

দোহার পৌরসভার মোট ভোটার ৪৩ হাজার ৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ হাজার ৭৪০ এবং নারী ভোটার ২১ হাজার ৩২৬। ২১টি ভোটকেন্দ্রে ১৩৪টি বুথের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের পৌর নির্বাচনে ৮ মেয়র প্রার্থী ও ৯টি ওয়ার্ডে ৬১ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন