মণ্ডপে মণ্ডপে দুর্গাদেবীর প্রতিমার সঙ্গে শোভা পাচ্ছে গণেশ, সরস্বতী, লক্ষ্মী, অসুর, সিংহ, মহিষ, মহাদেব ও কার্তিকের প্রতিমা। সাভারের বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমায় রংসহ অন্যান্য কাজ করছেন রিপন পাল ও তাঁর সহযোগীরা। কথা বলার ফুরসত নেই তাঁদের। রিপন পাল বলেন, ‘এ বছর ১৩টি প্রতিমার কাজ শুরু করেছি। সামনে বেশি সময় না থাকায় দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।’

এবার বিধিনিষেধ না থাকায় আনন্দের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সাভার উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনা মহামারির পর আশা করছি এবার অত্যন্ত সুন্দর ও আনন্দের মধ্য দিয়ে সবাই মিলে উৎসবটি পালন করতে পারব।’

তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ বছর সরকারের বিধিনিষেধের কারণে আলোকসজ্জায় কিছুটা ঘাটতি থাকবে বলে মনে করছেন পূজা সংশ্লিষ্টরা। তবে আনন্দে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানালেন ধামরাই উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নন্দ গোপাল সেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, উৎসবের সব আয়োজন শেষের দিকে। তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে কিছু বিধিনিষেধ থাকায় আলোকসজ্জায় সামান্য ঘাটতি হলেও উৎসবের আনন্দে ঘাটতি হবে না।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবছর যে অনুদান বা উপহার দেওয়া হয়, তা প্রক্রিয়াধীন। তালিকা অনুযায়ী মণ্ডপ বা মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দুর্গাপূজার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও।

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে পূজা উদ্‌যাপনসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি। পূজার সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া কন্ট্রোলরুম খোলা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার মনিটরিং, টহল পুলিশ দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন