লাখাই থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোস্তাফিজুর ও তানিয়ার মুঠোফোনে কথা বলার মাধ্যমে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের প্রেম হয়। ১৩ দিন আগে তাঁরা দুজনে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তানিয়া শ্বশুরবাড়ি নেওয়ার জন্য তাঁর স্বামীকে চাপ দেন। কিন্তু স্বামী মোস্তাফিজুর রাজি হননি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রেমের বিয়ে তাঁর বাড়ির লোকজন মেনে নেবে না। পরে তানিয়া খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মোস্তাফিজুরের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তান আছে। এ নিয়ে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তানিয়া বিষপান করেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তানিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর ক্ষোভে নিজেও বিষপান করেন মোস্তাফিজুর।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুনু মিয়া বলেন, রাতে তাঁরা বিষপান করলে পরিবারের সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। লাখাই থানার পুলিশ আজ সকালে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।