এ ছাড়া হামলার ঘটনার এক দিন পর দিঘলিয়া গ্রামের শচিনান্দন রায়ের বাড়ি থেকে গরু চুরির ঘটনায় আরজ মোল্লা (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা আড়ংগাছা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নড়াইল জেলা পুলিশ। আরজ মোল্লা দিঘলিয়া ইউনিয়নের কুমড়ি গ্রামের জহুরুল মোল্লার ছেলে। আজ শুক্রবার গরু চুরির মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনার এক দিন পর ১৭ জুলাই গভীর রাতে দিঘলিয়া গ্রামের শচিনান্দন রায়ের বাড়ি থেকে দুটি গরু চুরি হয়। চুরিতে জড়িত সন্দেহে গতকাল রাতে খুলনার আড়ংগাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরজ মোল্লাকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। তাঁর স্বীকারোক্তিতে গরু দুটি উদ্ধার হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা প্রথম আলোকে বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার উজ্জ্বল শেখকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নয়জন গ্রেপ্তার হলেন। এ ছাড়া হামলার পর দিঘলিয়া গ্রামে গরু চুরির ঘটনায় আজ থানায় মামলা হয়েছে। আটক আরজ মোল্লাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার জেরে ১৫ জুলাই সন্ধ্যার পর দিঘলিয়ায় কয়েকটি দোকান ভাঙচুর ও একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ লোকজন। তখন একটি মন্দির ভাঙচুর করা হয়। হামলা হয় পারিবারিক মন্দিরেও। এর আগে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া অভিযুক্ত তরুণের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিপেটা করে ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। রাত সাড়ে নয়টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন