উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ৮ নভেম্বর বেলা ২টা পর্যন্ত জাকির হোসেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের দায়িত্ব শেষ করে হাসপাতাল থেকে বের হন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জাকির হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকে তাঁর স্ত্রীর মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘বিদ্যুৎ নেই, তাঁর (জাকির হোসেন) মুঠোফোন যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

এর প্রায় ৬ ঘণ্টা পর ভোর ৫টা ৫৪ মিনিটে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার মুঠোফোনে জাকির হোসেনের মুঠোফোন নম্বর থেকে আরেকটি খুদে বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘শাশুড়ি অসুস্থ। জরুরি কাজে ঢাকায় যেতে হবে। আগামীকাল (১০ নভেম্বর) ফিরতে একটু দেরি হবে।’ এরপর তাঁর আর কোনো খোঁজ নেই। মুঠোফোনও বন্ধ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা মোহসিন উদ্দিন ফকির আজ রোববার বলেন, ৯ নভেম্বর চিকিৎসক জাকির হোসেনের স্ত্রী তাঁকে জানান, তাঁর স্বামী (জাকির হোসেন) রাতে বাসায় ফেরেননি। তাঁর শাশুড়িও অসুস্থ নন। এরপর ১০ নভেম্বর পর্যন্ত জাকির হোসেনের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি থানায় জিডি করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ মো. হেলালউদ্দিন ভূঁইয়া আজ বলেন, ওই চিকিৎসক পড়াশোনা করেছেন সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। তাঁর সহপাঠীদের সঙ্গেও কথা বলা হবে। তাঁরা সব থানায় ওই চিকিৎসকের ছবিসংবলিত বার্তা পাঠিয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত বলার মতো কোনো তথ্য তাঁদের হাতে নেই।