নিহত আলী আকবর কোটালীপাড়া উপজেলার বাগান উত্তরপাড় গ্রামের কাদের শেখের ছেলে। তিনি মোটরসাইকেলে যাত্রী ভাড়ায় আনা-নেওয়া করতেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল আলী আকবর ও তাঁর ভাই আলী আহম্মদ গোপালগঞ্জ শহর থেকে নতুন মোটরসাইকেল কেনেন। একই বছরের ২৩ মে সন্ধ্যায় নুরু ফরাজি ও সুমন মোল্লা কোটালীপাড়া মহুয়া সিনেমা হলের সামনে থেকে যাত্রীবেশে আলী আকবরের মোটরসাইকেলে ওঠেন। তাঁরা মাদারীপুরে টেকেরেহাট যাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল ভাড়া করেন। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার পর থেকে আলী আকবরের মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আলী আকবরের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গা খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি।

পরদিন ২৪ মে সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের বাজুনিয়া-গান্দিয়াসুর সড়কের পাশ থেকে আলী আকবরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন নিহত ব্যক্তির ভাই আলী আহম্মেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় মামলা করেন। পরে ২০০৯ সালের ১৪ জানুয়ারি কোটালীপাড়া থানার পুলিশ মামলা তদন্ত করে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌঁসুলি মো. শহিদুজ্জামান খান পিটু বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানির পর আজ আদালত রায় দিয়েছেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন আসামিই পলাতক। দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মাহবুব আলম। রায়ের বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন