পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে হাটবাকুয়া গ্রামের একটি মেহগনি গাছের ডালে একই ওড়নার দুই প্রান্তে ঝুলন্ত অবস্থায় রমজান ও মুক্তার লাশ দেখতে পান এলাকাবাসী। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ তাঁদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার একটি মোটর গ্যারেজে কাজ করতেন রমজান। তখন মুঠোফোনে মুক্তার সঙ্গে তাঁর প্রেম হয়। একপর্যায়ে তাঁরা দুজন বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। দুই মাস আগে পরিবারকে না জানিয়ে তাঁরা বিয়ে করেন। বিয়ের পর রমজান স্ত্রী মুক্তাকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। প্রথমে মেনে না নিলেও পরে রমজানের পরিবার বিয়ের বিষয়টি মেনে নেয়। কিন্তু মুক্তার পরিবার তা মেনে নেয়নি। তারা মুক্তাকে ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিল। আজ মুক্তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তাদের।

প্রতিবেশী আঁখি খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, রমজান ও মুক্তা একসঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন বলে হয়তো তাঁরা ‘আত্মহত্যা’ করেছেন।

রমজানের বড় ভাই রবিউল ইসলাম বলেন, রাতের খাবার খেয়ে তাঁরা একসঙ্গে বসে গল্প করেছেন। সকালে খবর পান, একটি মেহগনি গাছে তাঁর ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর লাশ ঝুলছে।

ঝিনাইদহের নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বিল্লাল হোসেন বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে ‘আত্মহত্যার’ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।