নগরের ব্যস্ততম ওই সড়কের উভয় পাশ অবরোধের ফলে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। পরে পুলিশ ও উভয় সংগঠনের নেতাদের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, গত ২৬ অক্টোবর নগরের লালদিঘীর পাড়ের একটি বাসার আলমারির তালা ভেঙে প্রায় ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়। এ ঘটনায় মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ হক সুপারমার্কেটের একটি জুয়েলারি দোকানে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সভাপতি মঈন উদ্দিন মনজু বলেন, অভিযান চালানোর সময় সাংবাদিকেরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং মার্কেট থেকে বের করে দেন। এর প্রতিবাদে সাংবাদিকেরা জিন্দাবাজার সড়কে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

হক সুপারমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আয়াতুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ এক ব্যক্তিকে মার্কেটে নিয়ে এসে তল্লাশি চালাতে শুরু করে। চুরি যাওয়া সোনা উদ্ধারের আগেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে বিপণিবিতানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, সিলেটে সোনা চোরাচালানের সঙ্গে একটি চক্র জড়িত। লালদিঘীর পাড়ে একটি বাসায় চুরির মামলায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হক সুপারমার্কেটে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পুরোপুরি শেষ হয়নি। এ বিষয়ে পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।