মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই কক্ষে পরীক্ষা শেষে তাঁরা সহপাঠীরা বসে কথা বলছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে একটি বৈদ্যুতিক পাখা সিলিং থেকে খুলে তার মাথার এক পাশে এসে পড়ে। পাখার ব্লেডের আঘাতে তার পাশে থাকা আরেকজন ছাত্রী হাতে আঘাত পান। দুর্ঘটনার পরপরই সেখানে উপস্থিত সহপাঠী এবং অফিস কক্ষ থেকে শিক্ষকেরা এসে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর মাথায় সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সুবোধ কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, শ্রেণিকক্ষের অভাবে পাঠদান ও পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের হিমশিম খেতে হচ্ছিল। এ কারণে আজ টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে হয়। সেখানেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সুবোধ কুমার সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক পাখাসহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করার কথা থাকলেও সেটি করা হয় না। এ কারণে আজ বৈদ্যুতিক পাখা খুলে শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা এখন আতঙ্কে আছেন।