স্থানীয় ব্যক্তি ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার চৌগাছী গ্রামের রাশিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে আবদুস সালাম শেখের বাসে ওঠা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ সময় রাশিদুল ইসলাম ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আবদুস সালামের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দেন। পরে পুলিশ এসে রাশিদুল ও সালামকে নাকোল পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে আবদুস সালাম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেন, বাসস্ট্যান্ডে এসে এসআই জামাল উদ্দিন আবদুস সালাম শেখের বুকে অন্তত তিনটি লাথি মারেন। এ ছাড়া তাঁর ঘাড়েও চড় মারা হয়। সালাম সেখানেই নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

তবে রাশিদুল ইসলাম দাবি করেন, পুলিশ সালাম শেখের ওপর কোনো নির্যাতন করেনি। নাকোল তদন্তকেন্দ্রে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

এ ঘটনার পর স্থানীয় শ্রমিকেরা প্রায় এক ঘণ্টা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতিমধ্যে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন