গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আড়াইহাজারের গোপালদী এলাকার আবুল কাশেম (৩৩), একই উপজেলার কাজীপাড়া এলাকার ওমর ফারুক (২৭), গোপালদী এলাকার মো. লিটন (২৪), মারুয়াদী এলাকার মো. সবুজ (২৮), জুকারদিয়া এলাকার রুমন ভূঁইয়া (২৫), গোপালদী এলাকার মো.আশরাফুল (১৯), কলাগাছিয়া এলাকার জুয়েল রানা (২২)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর উপজেলার মো. বাবু (২৬) এবং নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার দেলোয়ার হোসেন (২৮)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডাকাত দলের সর্দার হলেন আবুল কাশেম। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ৭টি ককটেল, ৩টি ছুরি, ১৩টি টর্চলাইটসহ বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, নগদ টাকা ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি আড়াইহাজারে বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ গত রোববার দিবাগত রাতে ১২ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হাইজাদী ইউনিয়নের সরাবদী আতাদী চকের বাড়ি ও উদয়দী গ্রামের আটটি বাড়িতে ডাকাতি করে। এ সময় ডাকাতদের মারধরে পাঁচজন আহত হন। ডাকাত দল স্বর্ণালংকার, টাকাসহ নানা ধরনের মালামাল নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা এ বিষয়ে র‍্যাব-১১ বরাবর আবেদন করলে তারা ডাকাতদের গ্রেপ্তারে তৎপর হয়। পরে র‍্যাবের গোয়েন্দারা নজরদারি চালিয়ে ডাকাতদের শনাক্তের পর গতকাল রাতে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তার নয়জনই হাইজাদী ইউনিয়নের আট বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। তাঁদেরকে আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি, বাবুর বিরুদ্ধে ৬টি, ওমর ফারুক ও সবুজের বিরুদ্ধে ১টি করে মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে র‍্যাবের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আড়াইহাজার থানা এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন