সারা দেশে বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করার অংশ হিসেবে ৫ নভেম্বর বরিশালে বিভাগীয় গণসমাবেশ ডেকেছে বিএনপি। এই গণসমাবেশ ঘিরে হঠাৎ করেই উত্তেজনা বাড়ছে। এ সমাবেশ ঠেকাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগেরও বিভিন্ন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। সেলিমা রহমান বরিশাল বিভাগীয় গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা।

সরকার বরিশালের গণসমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে সেলিমা রহমান বলেন, বরিশালের গণসমাবেশ বাধাগ্রস্ত করতে আওয়ামী লীগ দলীয় সন্ত্রাসী এবং দলবাজ প্রশাসনের সমন্বিত অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। কয়েক দিন ধরে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা, জেলা শহর এবং মহানগরে হামলা-নির্যাতন শুরু করেছে। বরিশালের গণসমাবেশ ভন্ডুল করতে আওয়ামী লীগ সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে।

দলবাজ প্রশাসন তাদের সহায়তা করছে। বরিশাল জেলা বাস-মালিক গ্রুপ ৪ ও ৫ নভেম্বর ধর্মঘট ডেকেছে। তিন চাকার যানবাহনের  ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। লঞ্চেরও পাতানো ধর্মঘট ডাকার চেষ্টা চলছে। শুধু তা-ই নয়, শুরু হয়েছে বিভিন্ন স্থানে হামলা, মারধর, পুলিশের হয়রানি। ক্ষমতাসীন দলের চাপের মুখে ধর্মঘট ডাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।

বরিশাল বাস মালিক গ্রুপকে সরকারি দলের হাতিয়ারে পরিণত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেলিমা রহমান বলেন, বরিশাল তথা দক্ষিণ জনপদে পরিস্থিতি এতটাই দুর্বিষহ আকার ধারণ করেছে যে গণসমাবেশে যেতে বাধা দিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাটের মোড়ে মোড়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা চৌকি বসিয়ে সর্বাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। এর ফলে শুধু বিএনপির নেতা–কর্মীরাই নন, সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন।  এতে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় গণসমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদিন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও মাহাবুবুল হক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হোসেন খান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও এবায়দুল হক, মহানগর আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান, সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির প্রমুখ।