স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বুধবার দুপুরে খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে খুলনার স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত সব পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে যে ডায়ালাইসিস সেবা ৪০০ টাকায় পাওয়া যায়, সেই একই সেবা বেসরকারি হাসপাতালে পেতে মানুষকে প্রায় ১০ গুণ টাকা খরচ করতে হয়। সরকার এখন সব জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট ও ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। করোনাকালে দেশের ১২০টি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। দেশে চলমান সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির সফলতা ৯৮ শতাংশের বেশি। দেশের জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোর শতভাগ শয্যায় রোগী ভর্তি থাকছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলো সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ভালো থাকলে রোগীরা ভালো সেবা পাবেন। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় কমাতে রোগ নির্ণয়ের সব পরীক্ষা যথাসম্ভব সরকারি হাসপাতালে করানোর চেষ্টা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য খাতের প্রতি সব সময় নজর রাখেন। তাঁর চেষ্টায় করোনাকালে দেশে চিকিৎসাসেবা চালু থেকেছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক মো. মনজুরুল মুরশিদ। সকালে মন্ত্রী খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের ক্যাথল্যাব, আইসিইউ, সিসিইউ ও ডায়ালাইসিস বিভাগ পরিদর্শন করেন।