এর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে ইউনিয়নভিত্তিক সম্মেলন করে ওই সাত ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে অনিয়মের অভিযোগে ওই কমিটি স্থগিত করে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ। আগের কমিটিতে কিছুটা রদবদল করে আজ নতুন করে কমিটি ঘোষণা করা হলো।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন সম্মেলনে পদপ্রার্থী এক নেতা।

এ ব্যাপারে পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আকন মো. সহিদ প্রথম আলোকে বলেন, এই সাত ইউনিটের কমিটি দেওয়ার ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এভাবে রাতের আঁধারে কমিটি দেওয়া অবৈধ। নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যাঁদের ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের অনেকেরই সম্মেলনে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়নি। তাহলে কীভাবে কমিটিতে তাঁদের নাম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষণা হলো? এ বিষয়ে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের কাছে অভিযোগ জানানো হবে।

জানতে চাইলে পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবির হোসেন বলেন, নিয়ম মেনে ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের মতামত নিয়েই এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যাঁরা নেতৃত্বে এসেছেন, তাঁদের নাম প্রস্তাব ছিল। সর্বোপরি ইউনিয়ন সম্মেলনে নেতা-কর্মীদের মতামত, উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় দুজন সংসদ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে ওই কমিটি দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নাচনাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নবঘোষিত আংশিক কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে মাসুদ রানাকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মো. ফরিদ খানকে। চরদুয়ানীতে হাফিজউদ্দিন আহমেদ সভাপতি ও আরিফুর রহমান মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে শামসুল আলম সিকদারকে সভাপতি ও ইব্রাহিম খলিলকে সাধারণ সম্পাদক, কাকচিড়া ইউনিয়নে আলাউদ্দিন পল্টুকে সভাপতি ও ফিরোজ আলমকে সাধারণ সম্পাদক, কাঁঠালতলীতে শহিদুল ইসলামকে সভাপতি ও মহিউদ্দিন সিকদারকে সাধারণ সম্পাদক এবং পাথরঘাটা পৌর ইউনিটে মোস্তফা কামালকে সভাপতি ও মো. নাসির উদ্দিন ওরফে সোহাগকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

৩১ অক্টোবর বেলা ৩টায় পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।