দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম খাজা মিয়া (৫৫)। তিনি হাইল হাওরের পাশের গ্রাম পশ্চিম ভাড়াউড়ার মৃত জালাল মিয়ার ছেলে।

মৌলভীবাজার বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা পাখি শিকারের ব্যাপারে জানতে পারি। কয়েক দিন ধরেই হাওরে অভিযান চালিয়ে কাউকে ধরতে পারছিলাম না। শিকারিরা নৌকা নিয়ে অনেক ভেতরে থাকেন। আজ ভোর থেকেই হাওরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাই। আমরা হাওরের প্রবেশ মুখের একটি গ্রামের রাস্তায় সিভিল পোশাকে ছিলাম। এ সময় পাখি শিকারি বস্তায় করে পাখি নিয়ে রাস্তায় এলে আমরা তাঁকে আটক করি। পরে ওই বস্তা থেকে পাঁচটি পরিযায়ী পাখি উদ্ধার করা হয়।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি প্রথম আলোকে বলেন, হাওরে আসা পাখি ধরতে পুরো হাওরেই শিকারিরা জাল ও ফাঁদ বিছিয়ে রাখেন। ফাঁদে ধরা পড়া এসব পাখি জোড়াপ্রতি ৫০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। প্রশাসনের অভিযানে ধরা পড়লেও শাস্তি হিসেবে জরিমানা খুব বেশি করা হয় না। এ জন্য অনেকেই আবার পরদিন থেকে পাখি শিকারে জড়িয়ে পড়েন।