স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আলমাস স্থানীয় একটি করাতকলে কাজ করেন। আবদুল জলিলের ঘটকালিতে ২০১৯ সালে রসুলপুর ইউনিয়নের প্যাঁচার আটা গ্রামে আলমাসকে বিয়ে করানো হয়। সে ঘরে একটি কন্যাসন্তান আছে তাঁর। পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০২১ সালে আলমাসের স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। এ নিয়ে আলমাসের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে আবদুল জলিল আলমাসদের বাড়িতে যান। তিনি আলমাসের দাদি আয়াতন বেগমের সঙ্গে গল্প করছিলেন। এ সময় আলমাস তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে এনে দেওয়ার কথা বলেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও গলায় কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই জলিলের মৃত্যু হয়। পরে আলমাস পালিয়ে যান।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, বউ চলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আবদুল জলিলকে কুপিয়ে হত্যা করেন আলমাস। ঘটনায় পর খবর পেয়ে অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন