প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ২০১৬ সালে নাটোরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল চালু করে। এবার চালু করল নার্সিং কলেজ। নার্সিং খাতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে এ কলেজে রয়েছে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী অভিজ্ঞ শিক্ষক, আধুনিক মানের হাসপাতালে হাতে-কলমে শেখার ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক ল্যাব, বিশাল ক্যাম্পাস ও স্বল্প খরচে আবাসিক ব্যবস্থা। এখানে তিনটি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোর্সগুলো হচ্ছে বিএসসি ইন নার্সিং (৪ বছর মেয়াদি কোর্স), ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি (৩ বছর মেয়াদি) এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি (৩ বছর মেয়াদি)। প্রতিবছর এই প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উজমা চৌধুরী বলেন, ‘সারা বিশ্বেই নার্সিং পেশা অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা। দেশের অভ্যন্তরে এ খাতে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। নার্সিং কলেজের মাধ্যমে কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা গেলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদান রাখতে আমরা এ নার্সিং কলেজ চালু করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করা। আমরা এরই মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের স্বপ্ন এ নার্সিং কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বেন। এ ছাড়া নাটোর, নরসিংদী ও হবিগঞ্জসহ কয়েকটি স্থানে আমাদের হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে তাঁরা কোর্স শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।’

আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল প্রিন্স রায় বলেন, ‘বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এ তিনটি কোর্সে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল নির্ধারিত সিলেবাসে কলেজের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে। এটি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাণ অ্যাগ্রো লিমিটেড কারখানার জেনারেল ম্যানেজার হযরত আলী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) তৌহিদুজ্জামানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন