চাকসুতে আরেকটি প্যানেল ঘোষণা, নির্বাচনে এখন ১৩ প্যানেল
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের ১৩তম প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে চাকসু ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ‘সর্বজনীন ছাত্র ঐক্য পরিষদ’ নামের এ প্যানেল থেকে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইতিহাস বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. জিহাদ আরাফাত।
প্যানেল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সাঈদ মো. রেদোয়ান ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি শাখা ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভিপি প্রার্থী সাঈদ মো. রেদোয়ান বলেন, ‘আমরা আপাতত আংশিক প্যানেল ঘোষণা করেছি । নির্বাচনের আগে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে মতাদর্শের মিল পেলে তাঁদেরও প্যানেলে যুক্ত করা হবে। নির্বাচনের ইশতেহারও আমরা কয়েক দিনের মধ্যে ঘোষণা করব।’
সহসাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা দলীয় কর্মসূচির বাইরে এসে এই প্যানেল ঘোষণা করছি। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে চাচ্ছি। এ কারণে সবাই একত্র হয়ে প্যানেল দিয়েছি।
প্যানেলে আরও যাঁরা
প্যানেল থেকে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. রবিউল হাসান, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে তাসনীম ফাত্তাহ কিবরিয়া, ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক পদে মুসররাত কবির, সমাজসেবা ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক পদে রফিকুল ইসলাম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে এ এম তৌহিদুল হক, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে মশিউর রহমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে মো. আরাফাত ও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে রয়েছে জুনাইদ খান আর মো. রায়হান মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আগামী ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চাকসু নির্বাচনের ভোট হবে। এরপর শুরু হবে গণনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী চাকসু ও হল সংসদে চূড়ান্ত প্রার্থী আছেন ৯০৭ জন। এর মধ্যে চাকসুর ২৬টি পদের বিপরীতে ৪১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। হল সংসদে নির্বাচন করবেন ৪৮৬ জন। নির্বাচনে খসড়া ভোটার ২৭ হাজার ৫২১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন ও ছাত্রী ১১ হাজার ৩২৯ জন।
চাকসু নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ২২ জন, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৭ জন, খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১২ জন, সহখেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক ১৪ জন, ছাত্রী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৩ জন, সহছাত্রীকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক পদে ১০ জন, দপ্তর সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহদপ্তর সম্পাদক পদে ১৪ জন, আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ১৭ জন, সহযোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৪ জন, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অন্যদিকে পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়ারবিষয়ক সম্পাদক পদে ২০ জন, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহসাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৫ জন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক পদে ২০ জন, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৫ জন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৬ জন, যোগাযোগ, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদক পদে ২০ জন ও ৫ নির্বাহী সদস্যের পদে ৮৫ জন প্রার্থী রয়েছেন।