প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্ব যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের একশ্রেণির ব্যবসায়ী মুনাফা লুটে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে কাগজ-কলমসহ সব শিক্ষা উপকরণের দাম। ৫ টাকার কলমের দাম ১০ টাকা হয়েছে। এতে সমাজের নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। কারণ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, তাঁরা কী আগের যুগে ফিরে যাবেন? কলাপাতায় দোয়াত-কলম দিয়ে লিখবেন? মান্ধাতার যুগে ফিরে যাবেন? অবিলম্বে শিক্ষা উপকরণের দাম কমাতে হবে। নিত্যপণ্যের দাম কমাতে হবে। শিক্ষা উপকরণের দাম কমানো না হলে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া হবে।

এ সময় কলাপাতা ও কচুপাতায় ‘কাগজের দাম কমাও’, ‘শিক্ষা উপকরণের দাম কমাও’, ‘জানার কোনো শেষ নেই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই’, ‘আমরা কি কলাপাতায় লিখব, আমরা কি কচু পাতায় লিখব’ ইত্যাদি প্লাকার্ড লিখে প্রতিবাদ জানানো হয়। সমাবেশে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।