স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, গতকাল শুক্রবার রাতে মানিকগঞ্জের জাফরগঞ্জ এলাকার জেলে মদন হালদার ও তাঁর সঙ্গীরা পদ্মা নদীতে জেলেনৌকা থেকে জাল ফেলেন। রাতে তেমন কোনো মাছ না পেয়ে হতাশ হন তাঁরা। আজ সকালে ফেরিঘাটের অদূরে বাহিরচর দৌলতদিয়া পদ্মা নদীর মোহনায় জাল ফেলেন।

জাল নৌকায় তোলার পর দেখেন বড় এক বাগাড় ধরা পড়েছে। সকাল ১০টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য মদন হালদার দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ে আসেন। সেখানে স্থানীয় আড়তদার দুলাল মণ্ডল মাছটি নিলামে তোলেন। এ সময় ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বাগাড়টি কিনে নেন।

দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান শেখ বলেন, ‘১ হাজার ৫০ টাকা কেজি দরে ১৮ হাজার ৯০০ টাকায় বাগাড় মাছটি কিনেছি। মাছটি বর্তমানে আমার ফেরিঘাটের আড়তঘরে রাখা রয়েছে। কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা লাভ পেলেই বিক্রি করে দেব। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচিতজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছি।’

বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২২-এর তফসিল অনুযায়ী, বাগাড় বিপন্ন প্রজাতির মাছ। তাই এর শিকার ও বেচাকেনা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর থেকে বিষয়টি জেনেছি। এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের পরিপত্র জারি বা নির্দেশনাসংক্রান্ত চিঠিপত্র না পাওয়ায় ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন