নিহত গৃহবধূর ভাশুর কামাল হোসেন গাজীর ভাষ্য, তাঁর ছোট ভাই ইসমাইল গাজী গত বৃহস্পতিবার কাজ করতে পাশের আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাউনিয়া গ্রামে গেছেন। গতকাল রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে ইসমাইল-তাসকিরার দুই ছেলে আবু হুরাইরা (৬) ও মোসলেমের (৩) ছেলেদের কান্নাকাটিতে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি তাঁর স্ত্রী পারুলকে ঘুম থেকে জাগিয়ে সেখানে পাঠান। পারুল ইসমাইল ও তাসকিরার ঘরে গিয়ে তাসকিরাকে পাননি। ডাকাডাকি করে না পেয়ে তাঁরা ঘরের বাইরে বের হয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে বাড়িতে ঢোকার রাস্তায় তাসকিরার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

শ্যামনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সরোয়ার হুসাইন বলেন, নিহত নারীর স্বামী ইসমাইল গাজী একটি মামলার সাক্ষী। এ নিয়ে এলাকার একজনের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যার সঙ্গে এ ঘটনার যোগসূত্র আছে। দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন