মামলার এজাহারে ওই ছাত্রের বাবা অভিযোগ করেন, ছয়-সাত দিন আগে রাতে মাদ্রাসার সবাই ঘুমিয়ে পড়লে শিক্ষক আবদুর রশিদ ওই ছাত্রকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি মাদ্রাসার সুপারকে জানায় ওই ছাত্র। কিন্তু বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সুপার ছাত্রের অভিভাবককে কিছু জানাননি। সুপার ওই ছাত্রকে চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়ে ওষুধ কিনে দেন।

তবে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে মাদ্রাসার সুপার আবদুল ওয়াজের প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি জানার পর শিক্ষক রশিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি। একপর্যায়ে আবদুর রশিদ দোষ স্বীকার করেন। পরে তাঁর কাছ থেকে একটি লিখিত নেন মাদ্রাসার সুপার। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেন তিনি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিপন বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্রের বাবা ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।