মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, গতকাল বেলা দুইটার পর ল্যাপটপ এনে দেওয়ার কথা বলে ইউএনওর সরকারি মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। এর মধ্যে মাতারবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা খান হজ পালনের জন্য সৌদিতে আছেন। এ কারণে প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনটি তাঁর ছেলের কাছে ছিল। ফলে বুঝতে না পেরে প্রধান শিক্ষকের ছেলে বিকাশের মাধ্যমে সাত হাজার টাকা দিয়ে দেন।

কিন্তু অন্য পাঁচ প্রতিষ্ঠান জেএম ঘাট আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়, উত্তর নলবিলা উচ্চবিদ্যালয়, আবদুল মাবুদ চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয়, হোয়ানক বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় ও কালারমারছড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টাকা দেননি। এ ব্যাপারে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে মহেশখালীর ইউএনও মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, গতকাল উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুঠোফোনে কল করে তাঁকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। একটি প্রতারক চক্র তাঁর সরকারি মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে এ কাজ করেছে বলে তিনি ধারণা করছেন। এ ব্যাপারে গতকাল সন্ধ্যায় মহেশখালী থানায় বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় ইউএনও বিষয়টি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন