নার্গিস বেগমের মেয়ে লামিয়া বেগম (১৪) জানায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে মায়ের সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল। তাঁর বাবা বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ১২টার দিকে তাঁদের কক্ষে বাবা আবদুল আজিজ প্রবেশ করে মাকে জাগিয়ে তোলেন। এ সময় তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় ঘরের মধ্যে থাকা একটি শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন বাবা। মা মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। পরে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

লামিয়া আরও জানায়, তাঁর মা মেরুদণ্ডের ব্যথায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ। তিনি বেশির ভাগ সময় বিছানায় শুয়ে থাকতেন।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে আবদুল আজিজ থানায় এসে স্ত্রীর মৃত্যুর কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, এক ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে ঢুকেছিলেন। ওই ব্যক্তির মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তাঁর স্ত্রীর মাথায় লাগে। হত্যার উদ্দেশ্যে স্ত্রীকে আঘাত করেননি।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আটক আবদুল আজিজকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে। নিহত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন