গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন ওই ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা গ্রামের শামছুল ব্যাপারীর ছেলে জেমস ব্যাপারী, মালিয়ানী গ্রামের মজিবর ব্যাপারীর ছেলে মিলন ব্যাপারী ও মৃত হাফেজ মুন্সির ছেলে আখলাদ হোসেন। তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আমজাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত রোববার রাত ১০টার দিকে বন্ধুর বাজারে বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জাান ও তাঁর লোকজন মিলে আমার ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় আমি নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে আমার কয়েকজন সমর্থক গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁর (আসাদুজ্জামান) ওপর আক্রমণ করে। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। এ বিষয়ে পরে জেনেছি।’

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার পর স্থানীয় লোকজন নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বন্ধুর বাজারে তাঁর অফিসকক্ষে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের ছোট ভাই সৈয়দ আলী, নুরুল ইসলামের ছেলে টুংকুসহ ১০ থেকে ১২ জন মুখ ঢেকে লাঠি ও রড নিয়ে আসাদুজ্জামানের ওপর হামলা চালান। হামলায় তাঁর মাথা ফেটে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে সেখান থেকে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের বাবা মো. শাহ আলম বাদী হয়ে আমজাদ হোসেনসহ ১৫ জনকে আসামি করে নাগেশ্বরী থানায় মামলা করেন।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবীউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগটি মামলা আকারে নথিভুক্ত করে আজ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।