পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে দৌলতপুর ইউনিয়নের ভবনচুর গ্রামের কৃষক আবদুর রাজ্জাকের কলাবাগানে শ্যালো মেশিন স্থাপনের কাজ চলছিল। হঠাৎ বোরিং করা শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মিস্ত্রিরা পাইপটি ওপরে তুললে পাইপের মুখে মরিচা পড়া লোহার গ্রেনেডসদৃশ বস্তুটি আটকে থাকতে দেখেন। পরে আবদুর রাজ্জাক সেটি পার্শ্ববর্তী খয়েরবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হকের কাছে জমা দেন। চেয়ারম্যান পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ গ্রেনেডটি উদ্ধার করে ফুলবাড়ী থানায় নিয়ে আসে।

ওসি আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, গ্রেনেডসদৃশ বস্তুটি জং ধরা। তাতে ১৯৬৬ সাল লেখা দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেনেডটি অনেক পুরোনো। মুক্তিযুদ্ধকালীন হতে পারে। আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হবে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।