বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বই পড়তে হবে, জ্ঞানের চর্চা করতে হবে। যত বেশি বই পড়া হবে, তত বেশি হৃদয় প্রসারিত হবে। এটি জীবনে অন্যদের থেকে শিশুদের এগিয়ে রাখবে। এই বইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কাজ, শিক্ষা, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে জেনে তাঁর আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।

আয়োজকেরা জানান, বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আট খণ্ডে প্রকাশ করেছে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’। সংলাপ, গদ্য ও চিত্রের জুতসই সমন্বয়ে শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর, সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা চিত্রিত হয়েছে ওই উপন্যাসে। বিকাশের পৃষ্ঠপোষকতায় বইটি স্কুলে স্কুলে বিতরণ করছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।

মুজিব বর্ষ উদ্‌যাপন ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সারা দেশের ৫০০ স্কুলে ২০ হাজার কপি গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্কুলে গ্রাফিক নভেল বিতরণ করেছে বিকাশ। প্রথম পর্যায়ে খুলনার ১০০ স্কুলের প্রতিটিকে পাঁচ সেট করে বই দেওয়া হয়েছে। এতে ৪০ শিক্ষার্থী স্কুলের লাইব্রেরি থেকে বইটি পড়ার সুযোগ পাবে।

বিকাশের কর্মকর্তারা জানান, যাত্রা শুরুর সময় থেকেই বিকাশ বই বিতরণের সঙ্গে জড়িত। আগামী প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে দায়িত্বশীল করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত আছে বিকাশ। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৯০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০ বই দিয়েছে বিকাশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন