যশোর বোর্ডে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

ফাইল ছবি

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় বাংলা প্রথম পত্রের বিতর্কিত প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও যাচাইকারী (মডারেটর) পাঁচ শিক্ষকই যশোর শিক্ষা বোর্ডের। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড।

কমিটিতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক কে এম রব্বানীকে আহ্বায়ক ও উপ–কলেজ পরিদর্শক মদন মোহন দাস এবং বিদ্যালয় পরিদর্শক সিরাজুল ইসলামকে সদস্য করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাঁদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত রোববার অনুষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে একটি প্রশ্নের উদ্দীপক (সৃজনশীল প্রশ্নের একটি অংশ) হিসেবে এমন বিষয়কে বেছে নেওয়া হয়, যাতে সাম্প্রদায়িক উসকানি রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকেও লেখালেখি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও যাচাইকারীকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই পাঁচ শিক্ষককে শনাক্ত করে যশোর শিক্ষা বোর্ডকে তারা জানায়। প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল। আর যাচাইকারী চার শিক্ষক হলেন নড়াইলের সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজউদ্দিন শাওন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

আরও পড়ুন

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবীব বলেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও যাচাইকারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করে জানানো হয়েছে। এমন বিতর্কিত প্রশ্নপত্র কেন প্রণয়ন করা হলো, তা তদন্তের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী এবং চারজন মডারেটর সবাই যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। এ বিষয়ে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।