এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও যাচাইকারীকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই পাঁচ শিক্ষককে শনাক্ত করে যশোর শিক্ষা বোর্ডকে তারা জানায়। প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল। আর যাচাইকারী চার শিক্ষক হলেন নড়াইলের সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজউদ্দিন শাওন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবীব বলেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও যাচাইকারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করে জানানো হয়েছে। এমন বিতর্কিত প্রশ্নপত্র কেন প্রণয়ন করা হলো, তা তদন্তের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী এবং চারজন মডারেটর সবাই যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। এ বিষয়ে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।