দণ্ডপ্রাপ্ত বদিউজ্জামান বেলকুচি উপজেলার মুকন্দগাঁতী গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, বদিউজ্জামান ও সুন্দরী খাতুন দম্পতির সংসারে প্রথমে কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। দ্বিতীয় দফায় তাঁর স্ত্রী আরও একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। শিশুটির নাম রাখা হয় সুমাইয়া। মেয়েটির জন্মের পর থেকেই বাবা বদিউজ্জামান অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে মাঝেমধ্যেই কন্যাকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। একপর্যায়ে ২০১৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর স্ত্রীর অগোচরে ৯ মাসের ঘুমন্ত সুমাইয়াকে নিয়ে পায়ের তলায় পিষে হত্যা করেন বদিউজ্জামান। এরপর মেয়ের লাশ বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় সুমাইয়ার মা সুন্দরী খাতুন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় দীর্ঘদিন পর আসামি বদিউজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আদালতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর বদিউজ্জামানকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন