তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাল ও অবৈধ সনদধারী ছয় কর্মকর্তা হলেন সেকশন কর্মকর্তা (গ্রেড-১) মো. মহিদুল ইসলাম ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, টেকনিক্যাল কর্মকর্তা মো. হেলালুল ইসলাম ও মো. জাহিদ হাসান, সেকশন কর্মকর্তা (গ্রেড-২) মো. সাকিব ইসলাম ও হাসনা হেনা। এ ছাড়া তিন কর্মচারী হলেন মেকানিক মো. জাকির হোসেন, সিনিয়র ক্লিনার দিলীপ হরিজন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাসুদেব দাস।

যবিপ্রবির উপাচার্য ও রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মো. আবু ইউসুফ মিয়া, যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন-৩) সৈয়দা নওয়ারা জাহান, সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক সলিমুল্লাহ, যশোরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাওছার উদ্দিন আহম্মদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবীব, যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. আহসান হাবীব প্রমুখ।