সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ফটকে তালা দিয়ে হাতিয়ার বাসিন্দাদের বিক্ষোভ

নোয়াখালীর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে হাতিয়ার বাসিন্দাদের বিক্ষোভ। আজ বেলা সাড়ে ১১টায়ছবি: প্রথম আলো

নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সসংকট দূর করা, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহসহ বিভিন্ন দাবিতে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ‘সম্মিলিত সামাজিক সংগঠন’–এর ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

সিভিল সার্জনের কার্যালয়টি অবস্থিত জেলার মাইজদী শহরে। সকালে এই কার্যালয়ের ফটকে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান নেন হাতিয়ার বাসিন্দারা। ব্যানার-ফেস্টুনে ‘ডাক্তার চাই, নার্স চাই, ওষুধ চাই’; ‘হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি দ্রুত সরবরাহ করতে হবে’; ‘হাসপাতালকে সিন্ডিকেট  ও দালালমুক্ত করতে হবে’ ইত্যাদি দাবি লেখা ছিল। বিক্ষুব্ধ লোকজন দাবি আদায়ে নানা স্লোগানও দেন। কর্মসূচিতে সংহতি জানায় হাতিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম, ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, হাতিয়া সমিতি-নোয়াখালী, হাতিয়া ফোরাম-বৃহত্তর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন সংগঠন।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন হাতিয়ার বাসিন্দা শাহ মিজানুল হক ওরফে মামুন, নোমান ছিদ্দিক, আবু সায়েদ ওরফে নোমান, রাশেল আমিন, শাহদাত হোসেন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, প্রায় সাত লাখ মানুষের বসবাস হাতিয়া উপজেলায়। কিন্তু এই বিপুল জনগণের জন্য সরকারি চিকিৎসাব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। চিকিৎসক ও নার্সের তীব্র সংকট চলছে। এ পরিস্থিতিতে দ্বীপের বাসিন্দারা চরমভাবে অসহায় হয়ে পড়েছেন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সিভিল সার্জন তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন না। কার্যালয় থেকে তাঁর একজন প্রতিনিধি বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হয়ে হাতিয়া উপজেলার সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন। হাতিয়ার স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে জানতে জেলা সিভিল সার্জন মরিয়ম সিমির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তিনি কল রিসিভ করেননি।