১৬ এপিবিএন পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক রাজু আহমেদ বলেন, নয়াপাড়া আশ্রয়শিবিরের ২ জন ও কুতুপালং বালুখালীর ৯ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে টেকনাফের মহেষখালীয়াপাড়ায় জড়ো করেন চক্রের সদস্যরা। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় পাচারকারী চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়। তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোররাতে মহেষখালীয়াপাড়া এলাকার একটি ঘর থেকে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক রাজু আহমেদ বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে মানব পাচার করে আসছিল। রোহিঙ্গা নাগরিকেরা এখন মানব পাচার চক্রের প্রধান লক্ষ্য। চক্রের সদস্যরা মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ভালো চাকরি এবং রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ের কথা বলে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা রোহিঙ্গাদের নিজ নিজ রোহিঙ্গা শিবিরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হালিম বলেন, মামলার পর গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আজ দুপুরের পর কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।